প্রকাশিত:
১৮ নভেম্বর, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। দেশটিতে সরাসরি হামলার ঘোষণা না দিলেও মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি, মাদুরোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞাসহ ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ দু’দেশের দ্বন্দ্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৬ নভেম্বর) ক্যারিবীয় উপকূলে পৌঁছেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র ও মাদক সন্ত্রাস ধ্বংসে অঞ্চলটিতে অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড।
অপারেশন সাদার্ন স্পিয়ার নামে এই অভিযানের অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে অন্তত ১২টি যুদ্ধজাহাজ এবং ১৫ হাজার সেনা।
সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সাথে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দাবি করেন, মাদুরো প্রশাসন তার সাথে কথা বলতে চায়। যদিও, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি কারাকাস।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার কার্টেল দে লস সোলস’কে চলতি মাসে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা হবে। মাদুরো ও তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে মাদক পাঠাতো বলে অভিযোগ করেছে রুবিও।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, কার্টেল দে লস সোলস, ট্রেন দে আরাগুয়া ও সিনালোয়া কার্টেলের মতো সন্ত্রাসী সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রে সহিংসতা ছড়ানোর পাশাপাশি আমেরিকা ও ইউরোপে মাদক পাচার করছে। যদিও মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সাম্প্রতিক রিপোর্টগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা মাদকের বড় উৎস ভেনেজুয়েলা নয়।